এই
আধুনিক যান্ত্রিক যুগে স্থূলতা যে আমাদের পিছু ছাড়ছেই না। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে আমরা অবলম্বন নানা প্রক্রিয়া করছি। কেউ খাবার নিয়ন্ত্রণ
করছি আর কেউ বা ব্যায়াম করে যাচ্ছি নিয়মিত। আপনি
প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম
করছেন ওজনটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।
খুব কষ্ট করে ঘাম ঝরাচ্ছেন কেবল একটু
চিকন হতে। কিন্তু তারপরও আপনার ওজনটি
ঠিক কমছে না। এর কারণ কী?
একবার
চিন্তা করে দেখুন তো আপনার আছে এমন কিছু অভ্যাস যেগুলো আপনার ওজন কমানোকে বাধাগ্রস্ত করছে। আসুন জেনে নিই আপনার অজান্তেই করে
যাওয়া এমন কিছু কাজ সম্পর্কে যেগুলো ওজন কমানোর পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
০১.
লক্ষ্য করে দেখুন, আপনি শারীরিক ব্যায়াম ঠিকভাবেই করছেন, কিন্তু
খাবার খাচ্ছেন একটি ভুল প্রক্রিয়ায়। আপনি হয়তো প্রতিদিন ব্যায়াম করার
পরে অনেক বেশি ক্ষুধার্ত থাকেন,
যার ফলে খাবার খেয়ে ফেলেন অনেক বেশি
পরিমাণে।
অথবা
ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খাচ্ছেন প্রতিদিন। এর ফলে ব্যায়ামের কারণে আপনার শরীর থেকে যতটুকু না ক্যালোরি নষ্ট হচ্ছে, তার
চেয়ে অনেক বেশি ক্যালরি
জমছে। এর ফলে আপনার ওজন কমছে না এবং
আপনি আরও মুটিয়ে যাচ্ছেন।
০২.
ভেবে দেখুন আপনি যখন ব্যায়াম করছেন তখন পানি পিপাসা মিটানোর জন্য কোনো হেলথ ড্রিংকস পান করছেন কি না। এই হেলথ ড্রিংক ওজন বাড়িয়ে দিতে
অনেক বেশি সহায়ক। আপনি যখন হাঁটার পরে ক্লান্ত থাকেন তখন পানি পিপাসা
পায়। হেলথ ড্রিংকটি আপনার পানি তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয় ঠিকই কিন্তু বিনিময়ে
আপনাকে মুটিয়ে তোলে। তাই ব্যায়াম করার পরও ওজন কমছে না আপনার।
০৩. আপনি হয়তোবা সঠিক পদ্ধতিতে হাঁটছেন
না। প্রতিদিন হাঁটার একটি নির্দিষ্ট
পদ্ধতি রয়েছে। একটি নির্দিষ্ট গতিতে হাঁটতে
হয় বা জগিং করতে হয়। কিন্তু
আপনি হয়ত তার চেয়ে কম গতিতে হাঁটছেন বা
জগিং করছেন। এর ফলেও আপনার ওজন ঠিক
অনুপাতে কমছে না।
০৪.
অনেকে হুটহাট করেই জিমে ভর্তি হয়ে যান। কিংবা ব্যায়াম করা শুরু করেন। ওজন হয়তো বা কমেও কয়েক কেজি। তারপর কয়েকদিন পর আগ্রহ হারিয়ে
ফেলেন। যার ফলাফল ওজন বেড়ে যায়
আগের চেয়েও। শরীর চর্চা একটা নিয়মিত ব্যবস্থা। তাই এটাকে নিয়মিতই চালিয়ে
যেতে হবে।
একটি
পরামর্শ :-
ওজন
কমাতে পরিশ্রমের কথা তো অনেক শুনেছেন,
বিশ্রামের কথা শুনেছেন কি? ওজন কমানোর জন্য সঠিক ভাবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই
মনে করেন যে রাত জাগলে ওজন কমে। এটা একটা খুব ভুল ধারণা। রাত জাগলে ওজন তো
কমেই না, বরং কিছু বিশেষ হরমোনের কারণে ক্ষুধা বাড়ে ও অধিক খেয়েও তৃপ্তি
মেলে না। যারা রাত জাগেন তাদের ওজন খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
২০০৬
সালে একদল গবেষক প্রায় ছয়হাজার নারীর উপর বছর ব্যাপী গবেষনা করে দেখেছেন যেসব নারী রাতে পাঁচঘন্টার কম ঘুমান তাদের ওজন বৃদ্ধির
হার প্রাত্যহিক সাত ঘন্টা ঘুমানো নারীর চেয়ে প্রায় ৫.৫ পাউন্ড
বেশি। এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেডিয়ে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য। দুটি হরমোন
ঘ্রেলিন ও ল্যাপ্টিন এর জন্য দায়ী।
শিকাগো
বিশ্ববিদ্যালয় ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি পৃথক গবেষণায় পাওয়া যায় যে, ঘুমের তারতম্য ল্যাপ্টিনের নিঃসরন কমিয়ে
দেয় এবং ঘ্রেলিনের নিঃসরন বাড়িয়ে দেয়। আর উচ্চ ঘ্রেলিন
ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয় আর ল্যাপ্টিনের অভাব
বোধ অনেক খাবার পরও এই অনুভূতি জাগায় যে
পেট ভরেনি। তাই খাওয়াও হয় বেশি
বেশি ওজনও বেড়ে যায়। তাই এ বিষয়টা নিয়েও
চিন্তা করা উচিত। তথ্যসূত্র :-
প্রিয় লাইফ (পরিমার্জিত)
সবার ¯^v¯’¨ ivwLe my¯’¨
GB g‡š¿ Dw¾weZ|
Wvt ‡kL gvgybyi iwk`
wWGPBGgGm. (weGPBwe) XvKv,
weG, (Abvm©)GgG wWGgGm KwjKvZv) | K¬vwmdvBW †¯úkvwj÷ Bb †nvwgIc¨vw_
GÛ Kbmvj‡U›U Aëvi‡bwUf †gwWwmb †MÖwWs Bb c¨v_jwR GÛ mvR©wi |
‡iwRt bs- (wRGm - 530) 25087( BwÛ) 17184
Av‡ivM¨ †nvwgI dv‡g©mx GÛ cwjcvm
I cvBjm wKIi †m›Uvi ‡‡
‡P¤^v‡i: আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের cv‡k¦ রেলগেট,মুজিব
সড়ক h‡kvi| ‡ivMx ‡`Lvi w`b(kwb ,iwe, †mvg)
‡P¤^v‡i: bZzb iv¯Ívi †gvo ‡`ŠjZcyi Lyjbv||‡ivMx ‡`Lvi
w`b(g½j,eya,e„)
‡P¤^v‡i †ivMx †`Lvi mgqt
cÖwZw`b mKvj 9.30n‡Z `ycyi 2.00Uv
ch©všÍ| weKvj 4.00‡_‡K ivZ 9.30wgwbU ch©všÍ| mvÿv‡Zi c~‡e ©†dvb K‡i Avmyb
‡gvevBj bs 01915999568/01722557184|Email:Shk.mamun04@gmail.com